দেশটিতে বেশ কয়েকবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে। এ হামলার কারণে পর্যটকদের কাছে আমিরাতের আকর্ষণীয় ও নিরাপদ ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও পর্যটন খাতে বড় বিনিয়োগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আবুধাবি। খবর সিএনএন।
আবুধাবি ১৪ মে একটি বড় ঘোষণা দেয়। ১৭০ কোটি ডলার বিনিয়োগে একটি আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র ‘স্ফিয়ার’ তৈরি করতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানীটি। এটি পরিচালনা করবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্ফিয়ার এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি’। এর আগে ২০২৩ সালে বিশ্বের প্রথম স্ফিয়ার খোলা হয়েছিল লাস ভেগাসে।
স্ফিয়ার মূলত কনসার্ট, পারফরম্যান্স ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য তৈরি এক বিশাল স্থাপনা।
আবুধাবির সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগের (ডিসিটি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খলিফা আল মুবারক বলেন, ‘আমরা পুরো পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়নে দ্বিগুণ জোর দিচ্ছি।’
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি মূলত তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে চায়। অর্থনীতিকে বহুমুখী করার জন্য পর্যটন শিল্পে বিপুল বিনিয়োগ করছে ইউএইর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনবহুল নগরীটি। এরই অংশ হিসেবে সাদিয়াত দ্বীপ সাংস্কৃতিক জেলা তৈরি করা হয়েছে। এ দ্বীপে বিখ্যাত ‘লুভর’ মিউজিয়ামের একটি আন্তর্জাতিক শাখা রয়েছে। এছাড়া ‘গুগেনহাইম’ মিউজিয়ামের আরেকটি শাখার কাজও প্রায় শেষের দিকে।
আবুধাবির পর্যটন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সেখানে ২ কোটি ৬৬ লাখ পর্যটক গিয়েছেন। যার মধ্যে হোটেলের অতিথি ছিলেন ৫৯ লাখ। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ৩ কোটি ৯৩ লাখ পর্যটক আকর্ষণের লক্ষ্য নিয়েছে শহরটি। এর মাধ্যমে পর্যটন খাত থেকে আয় ২ হাজার ৪৫০ কোটি ডলারে নিয়ে যেতে চায় নগরীটি।